Feeds:
Posts
Comments

Archive for February, 2010

আমার ছেলেবেলা


বাল্যকালের কথা কি আর সব মনে থাকে ? না থাকেনা। তাই শিশু বা কিশোরদের জন্যে বল্যকালের স্মৃতিকথা বলা খুবই কঠিন বলে আমার মনে হয়। বন্ধুরা আমি ১৯৪০ সালের ৮ই মার্চ ফেণী শহরের উকিল পাড়ার মজুমদার বাড়িতে জন্ম নিয়েছি। আমার মায়ের নাম আশরাফ উন নেসা। তিনি রামপুর পাটোয়ারী বাড়ির মেয়ে। আমার বাবার নাম আবদুল আজিজ মজুমদার। বাবার দাদার বাড়ি আনন্দপুর ইউনিয়নের পেচিবাড়িয়া গ্রামে। আমার দাদার নাম ইয়াকুব আলী মজুমদার আর দাদীর নাম শাহাব বিবি। তিনি খুব সম্ভব ১৮৭০ এর দিকে ফেণী শহরে আসেন। শুনেছি, আমার দাদার বাবা মনসুর আলী মজুমদার ও তাঁর মা তার বল্যকালেই কলেরায় মারা গেছে। শহরে এসে তিনি তাঁর এক আত্মীয় বাড়িতে বড় হন।

স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগে আমি বাড়িতে পড়তাম প্রখ্যাত শিক্ষক শ্রীনাথ বাবুর কাছে।প্রথম যেদিন তাঁ কাছে পড়তে বসবো সেদিন মা স্যারকে বলেছিলেন, গোস্ত আপনার আর হাড্ডি আমার। তিনি খুবই ভাল মানুষ ছিলে। বিয়ে করেন নি। শিক্ষকতাই ছিল তাঁর আদর্শ ও ধর্ম। তিনি আমকে রামসুন্দর বসাকের বাল্যশিক্ষা বইটি পড়াতেন।তিনি কোনদিনই আমাকে মারেন নি। এখনকার শিশু বা কিশোররা সেই বইটি দেখেছে কিনা জানিনা। বাল্যশিক্ষার শেষ পাতায় মহারাণী ভিক্টোরিয়ার একটি ছবি ছিল। মহারাণী ছিলেন কুমারী। শ্রীনাথ বাবু বললেন, তুমি যদি বাল্যশিক্ষা শেষ করতে পারো তাহলে মহারাণীর বিয়ে হবে। বিয়ে কি তা আমি তখনও বুঝিনি । মহারাণী সম্পর্কেও আমার কোন ধারনা ছিলনা। রাম সুন্দর বসাকের বাল্যশিক্ষার শেষ পাতা পর্যন্ত আমি যেতে পারিনি। তার আগেই আমাকে বারিক মিয়া সাহেবের স্কুলে ভর্তি করে দেয়া হয়েছিল। সেই স্কুলটির নাম এখন ফেণী মডেল হাই স্কুল। স্কুলের হেড মাস্টার ছিলেন বারিক মিয়া সাহেব। শুনেছি তিনি অনারারী ম্যাজিস্ট্রেটও ছিলেন। স্কুলের প্রতিস্ঠাতা হিসাবেই তাঁর নামেই লোকে স্কুলটাকে চিনতো। স্কুলের দ্বিতীয় শিক্ষক কাজী আবদুল গফুরই ছিলেন প্রধান শিক্ষকের মতো। তিনিই স্কুল চালাতেন। আমার জীবনের প্রথম শিক্ষক শ্রীনাথ বাবুও ওই স্কুলের শিক্ষক ছিলেন।

১৯৪৬ সালে আমি প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হই। স্কুলে নিয়ে গিয়েছিলেন আমাদের সকলের মাস্টার ভাইসাব রফিকুল ইসলাম। বাড়িতে তিনি ছিলেন আমাদের মুরুব্বী। আমার জন্ম ১৯৪০ সালের ৮ই মার্চ( বাংলা সন ১৩৪৬/২৪ শে ফালগুন)। ছ’বছর বয়সে আমি স্কুলে ভর্তি হই। যদিও স্কুলের রেজিস্টারে চার বছর লেখা হয়েছিল। প্রথম দিন যেখানে ক্লাশ করেছি সে ঘরটি ছিল টিনের। পশ্চিম দিকে খালের পারে ছিল। প্রথম দিনের ক্লাশ টিচার ছিলেন বেশ লম্বা একজন মৌলভী সা্হেব। তিনি রুমের টুপি পরতেন। ওই রকম একট টুপি আমার বড় জেঠা ইউসুফ আলী সাহেবেরও ছিল। মডেল স্কুল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণী পাশ করে আমি ৫২ সালে ফেণী হাই স্কুলে ভর্তি হই। ৫১ সালের সবচে বড় খবর হলো ওই বছর অক্টোবর মাসে আমার মা আমাদের ছেড়ে দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছেন। পরে শুনেছি মা’র টাইফয়েড ও নিউমুনিয়া হয়েছিল। তখনকার দিনে এসব রোগের চিকিত্‍সা হতোনা। মাত্র দশ বারো দিন রোগে ভুগে আমার মা মারা যান। কথা ছিল ফেনী হাই স্কুলে ভর্তি হলে মা আমাকে একটা সাইকেল কিনে দিবে। এজন্যে মা টাকাও দিয়েছিলো। কিন্তু সেই সাইকেল পরে আর কেনা হয়নি। মডেল স্কুল থেকে আমার ক্লাশমেট আমিন উল্লাহ, শামসুল হক, আশরাফুল আলম ও কাজী গোলাম রহমান ভর্তি হয়েছিল। এর মধ্যে আমিন উল্লাহ ছিলো সবচে ভাল ছাত্র। কিন্তু পরে আমিন উল্লাহ আর ভাল করতে পারেনি। ফেণী হাই স্কুলে গিয়ে খুবই ঘনিস্ঠ বন্ধুত্ব হয়েছিল রফিক ভুঁইয়া, বুলু মোহাম্মদ আলী পান্নু, আবু জাফর পান্না।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়  সেন্ট্রাল হাইস্কুলে বৃটিশদের সেনা ক্যাম্প ছিল। ওই সময় নাকি ব্রিগেডিয়ার আইউব খান জাপানের বিরুদ্ধে ইস্টার্ণ কমান্ডের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। যুদ্ধের সময় আমাদের বাড়ির সবাই গ্রামে চলে গিয়েছিল। আমার তেমন কিছু মনে নেই। তবে দুয়েকবার আকাশে উড়োজাহাজ দেখেছিলাম। পরে মায়ের কাছে যুদ্ধের অনেক গল্প শুনেছিলাম। মা মারা যাওয়ার পর আমি এক রকম স্বাধীন হয়ে গেলাম। বাবা তেমন শাসন করতেন না। হাইস্কুলে ক্লাশ সেভেনে ভর্তি হয়ে আমি এক ধরনের নেতা হয়ে উঠলাম।

Advertisements

Read Full Post »


তখন আমি সবে মাত্র একুশ। পড়ালেখা শেষ হয় হয়। এমনি এক সময়ে পাকিস্তান অবজারভারে কাজ করার সুযোগ এলো। সাল ১৯৬১ সাল।আমার শ্রদ্ধেয় মাহবুব ভাই জানতে চাইলেন আমি সাংবাদিকতা করবো কিনা। কি উত্তর দিবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। আমি কমার্সের ছাত্র হলেও লেখালেখির দিকে ঝোঁক ছিলো স্কুল জীবন থেকে। ওই সময়ে অবজারভারে সাংবাদিক জগতের জায়েন্টরা কাজ করতেন। আন্তর্জাতিক ভাবে খ্যাতিমান সাংবাদিক আবদুস সালাম ছিলেন অবজারভারের সম্পাদক। মুসা ষাহেব ছিলেন নিউজ এডিটর। শহীদুল হক ছিলেন চীফ রিপোর্টার। যিনি পরে বাংলাদেশ টাইমসের এডিটর হয়েছিলেন। ওবায়দুল হক সাহেব ছিলেন সম্পাদকীয় বিভাগের দ্বিতীয় জন।হক সাহেব পরে অবজারভারের সম্পাদক হয়েছিলেন। সকল ধরনের ভয় বুকে নিয়ে আমি অবজারভারে যোগ দিলাম নবীশ ইকনমিক রিপোর্টার হিসাবে। তুলারাম কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল শামসুল হুদা সাহেব ছিলেন অর্থনৈতিক পাতার সম্পাদক। আমি সরাসরি তার নির্দেশেই কাজ করতাম। হুধা সাহেব খুবই ভাল মানুষ ছিলেন।

আমি এতই নবীশ ছিলাম যে আমার সাথে সালাম সাহেবের দেখা হওয়ার কোন সুযোগই ছিলনা। অবজারভারের ফটো সাংবাদিক মোয়াজ্জম হোসেন বুলু আমার বাল্যবন্ধু। সে ছিলো সালাম সাহেবের ছোট ভাই ওয়াদুদ সাহেবের ছেলে। বুলুর বাবা ফেণীতে আইন ব্যবসা করতেন। বুলুর কারনেই আমি সালাম সাহেবকে জেইয়া(জেঠা) বলে ডাকতাম। মাঝে মধ্যে কখনও সখনও আমি বুলুর সাথে পুরোনো ঢাকার নাসির উদ্দিন রোডের বাড়িতে থাকতাম। তখন অবজারভার অফিস ছিলো এক নম্বর জনসনরোডের একটা পুরোনো দিনের বাড়িতে। পাশেই ছিল বাংলা বাজার বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে। যতদূর মনে পড়ে ৬২ সালের দিকে অবজারভার অফিস মতিঝিলে চলে আসে। তখনও ভবনের নির্মানের কাজ চলছিলো।

আমার সম্পাদক সালাম সাহেব ছিলেন একথা ভাবতেই আমার মন আনন্দে ও গৌরবে উত্‍ফুল্ল হয়ে উঠে। সালাম সাহেবের মতো একজন সম্পাদক এখন বাংলাদেশে নেই। আগামী দিনে এমন সম্পাদক দেখবো তেমন আসা নেই। সালাম সাহেব ছিলেন খুবই একজন মেধাবী মানুষ। সারা পাকিস্তানে তখন এমন দার্শনিক সম্পাদক ছিলোনা। দেশী বিদেশী জ্ঞানীরা তাঁকে সম্মান করতো, দেখতে আসতো। খোদ হামিদুল হক চৌধুরী সাহেব সালাম সাহেবকে সম্মান করতেন।বয়সে চৌধুরী সাহেব বড় ছিলেন।

গল্পটা শুনেছি আমি মরহুম ওবায়দুল হক সাহেবের কাছে।কোলকাতায় একবার সালাম সাহেব এসেছিলেন ওবায়দুল হক সাহেবদের বাসায়। সেদিন ছিল রোববার। সালাম সাহেব বাসা থেকে বেরিয়ে একটা টাংগায় উঠে বসলেন। টাংগার সাথে ঘোড়া বাঁধা ছিলনা। টাংগার সহিশও ছিলনা। কারন ছুটির দিন।সালাম সাহেব দুপুর গড়িয়ে বিকেল পর্যন্ত টাংগায় বসে বসে বই পড়ছিলেন। ওবায়দুল হক সাহেব বিকেলে বেরিয়ে দেখলেন সালাম সাহেব টাংগায় বসে আছেন। জিগ্যেস করলেন,আপনি এখানে বসে কি করছেন? উত্তর দিলেন, কি আর করবো। টাংগাওয়ালা আর ঘোড়া কোথায় গেলো কে জানে। হক সাহেব বললেন, আজ ছুটির দিন, তাই টাংগাওয়ালা নেই। সালাম সাহেব বললেন, তাহলে রাস্তায় গাড়ি রাখবে কেন। চলুন এখন বাসায়। কিছু খেয়ে নেবেন। টাংগা থেমে নামার সময় সালাম সাহেব বইটা টাংগার পাদানিতে ফেলে দিলেন। হক সাহেব জিগ্যেস করায় উত্তর দিলেন পড়ে ফেলেছি। এবার আমি আমার দেখা  একটা ঘটনার কথা বলি। আমি গিয়েছিলাম তাঁর ধানমন্ডির বাসায়। মনে হয় সন্ধ্যার সময়। তিনি বই পড়ছিলেন। আমাকে দেখে জিগ্যেস করলেন, কেইচ্ছা আছো? সালাম সাহেব  বাংলায় কথা বললে নোয়াখালীর এক্সেন্টে কথা বলতেন। এ অভ্যাস হামিদুল হক চৌধুরী সা্হেবেরও ছিলো।  আমার মনে হয় তিনি আমার নাম মনে করতে পারছিলেন না। আমি উত্তর দিলাম আমি বুলুর বন্ধু। অ:  হেই কথা কইবাতো। এমন সময়ে কারেন্ট চলে গেছে। বাড়ীর কাজের ছেলেটা একটা হ্যারিকেন নিয়ে এলো। তিনি সিগারেট খাওয়ার জন্যে উশপিস করছিলেন। তাঁর কাছে দিয়াশলাই ছিলনা। হঠাত্‍ দেখি তিনি পড়া পাতার একটু ছিঁড়ে হ্যারিকেন থেকে আগুন নিয়ে সিগারেট ধরালেন। আবার বই পড়ার দিকে মন দিলেন। আপনারা এবার ভাবুন, সালাম সাহেব কেমন মানুষ ছিলেন। একবার তিনি তাঁর এডিটোরিয়ালে গেস্টিমেশন শব্দটি ব্যবহার করে সারা পাকিস্তানের পাঠকদের কাছে শব্দ ব্যবহারের ইতিহাস তৈরি করেন। পাঠকরা প্রশ্ন করতে লাগলেন তিনি শব্দটি কোথায় পেলেন। সবাই একটি শব্দ জানেন। সেটি হলো এস্টিমেশন। আমরা অনুবাদ করেছি আনুমানিক। কিন্তু গেস্টিমেশনের বাংলা কি হবে। তাছাড়া শব্দটিতো ইংরেজী ডিক্শনারীতে নেই। অবজারভারে সারা পাকিস্তানের বহু পাঠকের চিঠি ছাপা হলো। তারপর একদিন সালাম সাহেব পাঠকের প্রশ্নের জবাব দিলেন তাঁর আইডেল থটস কলামে। ওই কলামে তিনি পাঠককে জানালেন কি ভাবে একটা শব্দ অভিধানে প্রবেশ করে। এর প্রক্রিয়া কি। গেস্টিমেশন শব্দটি তখনও অভিধানে প্রবেশ করেনি। কিন্তু আন্তর্জাতিক বড় বড় কাগজে ব্যবহার শুরু হয়ে গেছে।

এবার আমি অবজারভারে থাকার সময়ে আমার জীবনের দুটি স্মরণীয় ঘটনার কথা বলবো। আমার লেখা একটি রিপোর্টে ডিমের হালি চল্লিশ টাকা ছাপা হয়েছিল। শুনেছি, হামিদুল হক চৌধুরী সাহেব বিষয়টি এডিটর সাহেবের কানে দিলেন। তিনি খোঁজ খবর নিয়ে জানলেন আমিই রিপোর্টটি করেছি। তখন সবেমাত্র দশমিক ব্যবস্থা চালু হয়েছে। দশমিক চিহ্ন যে চল্লিশের আগে বসাতে হবে তা আমি বুঝতে পারিনি। আমি দশমিক চিহ্নটি চল্লিশের পরে দেয়াতে তা চল্লিশ পয়সার স্থলে চল্লিশ টাকা হয়ে গিয়েছিল। এডিটর সাহেব আমার জরিমানা করেছিলেন পাঁচ টাকা। আর জরিমানার কথা নোটিশ বোর্ডে লাগাবার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেটা আমার বেতন থেকে কাটা হয়েছিল। তখন আমি নবীশ হিসাবে মাত্র একশ’ টাকা পেতাম। আরেকবার ক্যামিস্ট্রি বানান ভুল লিখেছিলাম। সেজন্যেও জরিমানা হয়েছিল। পরে বুলুর সহযোগিতায় জরিমানা মাফ পেয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে ক্যামিস্ট্রি বানান দশবার লিখতে হয়ছিল। তার আগে তিনি আমাকে ব্যাক বেঞ্চার বলে বকা দিয়েছিলেন। সালাম সাহেব ক্ষেপে গেলে ব্যাক বেঞ্চার বলে বকতেন। আত্মভোলা সালাম সাহেব সম্পর্কে আরও বহু গল্প আমার জানা আছে। সব বলতে থাকলে স্বল্প পরিসরে এ লেখা শেষ করা যাবেনা।

তবুও একটি ঘটনা এখানে উল্লেখ না করে থাকতে পারছিনা। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সরকার পদ্ধতি নিয়ে সালাম সাহেব একটি এডিটোরিয়াল লিখেছিলেন। যার হেডিং ছিল ‘সুপ্রিম টেস্ট’। তখন শেখ সাহেব দশে ফিরে এসেছেন। খবরের কাগজ গুলোতে পদ নিয়ে কাড়াকাড়ি চলছিল। নিয়োগপত্রের কোন বালাই ছিলনা। সবাই যার যার পছন্দমতো পদ দখল করে নিচ্ছিলেন। এটা ৭২ সালের একেবারে শুরুর দিকের কথা। আমি পূর্বদেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে বাংলার বাণীতে কাজ নিলাম। তার আগেই ‘ সুপ্রিম টেস্ট’ লেখার অপরাধে দার্শনিক সম্পাদক  সালাম সাহেবের চাকুরী চলে গেছে। কারো কারো সুপারিশ ছিল তাঁকে জেলে পাঠাবার জন্যে। কিন্তু বয়সের কথা বিবেচনা করে বংগবন্ধু নাকি তাতে রাজী হননি। ওই সম্পাদকীয়তে সালাম সাহেব দেশ রাস্ট্র দল বা বংগবন্ধুর বিরুদ্ধে কিছুই লেখেননি। কিন্তু তখন যিনি সম্পাদক হতে চেয়েছিলেন তিনি বংগবন্ধুকে ভুল বুঝিয়েছিলেন। এই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্যে সালাম সাহেব সারাজীবন কলম ধরেছিলেন। সেই বাংলাদেশে তিনি সম্পাদকের পদ থেকে বিতাড়িত হলেন। এই আত্মভোলা মানুষটি বুঝতে পারেননি তাঁর কি দোষ ছিলো।

Read Full Post »