Feeds:
Posts
Comments

Archive for January, 2014

সকালবেলা ২১


সকালবেলা ২১

এখানে শীত বেশী। ৬/৭ ডিগ্রী বাইরে। ঘরের ভিতরে তাপ নিয়ন্ত্রন করা হয়। তবে বৃস্ধের শরীরের রক্ত এমনিতেই বেশ ঠান্ডা থাকে। তাই হয়ত আমার কাছে বেশী শীত লাগে। এখানে আমার মত মানুষের সময় পার করা বা কাটানো খুবই কঠিন। শুক্রবারে সকাল এগারটায় মসজিদে চলে গেছি। তখন চার পাঁচ জন মুসল্লী এসেছেন মাত্র। সাড়ে ১২টায় আজান। তারপরে ইংরেজীতে খোত্‍বা। খোত্‍বা দিলেন লেবাননের হাসান। তিনি নামাজে ইমামতি করলেন। আমার বৌমা ইশরাত ফৌজিয়া আমাকে মসজিদে নিয়ে গেছে। সেও মসজিদে নামাজ পড়েছে। এক সাথে দুজনই ফিরে এসেছি। শুক্রবারে নামাজের জন্যে কাজের কোন বিরতি দেয়া হয়না। তবে লাঞ্চব্রেকের সময়ে নামাজীরা নামাজ পড়তে যান। ফলে ,সবার পরণে শীতের কাপড় ও জিন্সের প্যান্ট। ৯০ ভাগের মাথায় টুপি থাকেনা। এমন কি ইমামের মথায়ও টুপি বা পাগড়ি ছিলনা। এখানে কাগজে কলমে মসজিদ শব্দ ব্যবহার করা হয়না। বলা হয় ইসলামিক সেন্টার। মসজিদের নাম হলো মুসলিম এসোসিয়েশন অব পুজেট সাউন্ড(ম্যাপস)। ব্যবস্থাপনায় একজন বাংগালীও আছেন বলে মনে হলো। খুবই সুন্দর মসজিদ। অপূর্ব নির্মাণ কৌশল।
ইতোমধ্যে আমি একবার স্টারবাক্সে গিয়েছি। এই কফি হাউজটি আমার খুবই প্রিয়। বিদেশে থাকলেই আমি এখানে আসি সময় কাটাবার জন্যে। এখানে কবি সাহিত্যিক ও সাহিত্যামোদীদের দেখা পাওয়া যায়।
এখানে রেডমন্ডে একটা খুব ভাল একটা বিরাট পাবলিক লাইব্রেরী আছে। নাম কিংস কাউন্টি পাবলিক লাইব্রেরী। এখানে সারাদিন থাকা যায়। ২৯শে জানুয়ারী সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় মাওলানা রূমীর উপর একটি আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠের কর্মসূচী আছে। আশা করছি উপস্থিত থাকতে পারবো।
এই রাজ্যের বিখ্যাত কাগজের নাম সিয়াটল টাইমস। একশ’ বছরের পুরাণো কাগজ। আশা করছি একদিন ভিজিত করতে যাবো। এখানে আমাদের মতো প্রেসক্লাব নেই। সাংবাদিকরা মাসে একবার ডিনারে মিলিত হন। নাম হল সিয়াটল প্রেসক্লাব। তবে অনেক কার্যক্রম আছে।
আমি এখানে এসেছি ১৪ তারিখ দুপুরে। অবস্থান করছি আমার বড়ছেলে নওশাদ জামিলের বাসায়। সে মাইক্রোসফটে কাজ করে কনসাল্টটেন্ট হিসাবে। বেশ কয়েক বছর ধরে এ শহরে আছে। মাইক্রোসফ্টের হেড কোয়ার্টার নাকি এ শহরেই।

Read Full Post »

« Newer Posts